Posts

পর্ব: ১] আমরা হাদিস কেন মানতে বাধ্য?

Image
  মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ সুবাহানাহু ওয়াতা'আলা পবিত্র কোরআন মাজীদের ১৬ নং সূরা আন নাহলের ৪৪ নং আয়াতে এরশাদ করেছেন: بِٱلۡبَيِّنَٰتِ وَٱلزُّبُرِۗ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ وَلَعَلَّهُمۡ يَتَفَكَّرُونَ অর্থঃ  তাদের প্রেরণ করেছিলাম স্পষ্ট নিদর্শন ও গ্রন্থসহ এবং  তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করেছি মানুষকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য,  যা তাদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছিল, যাতে তারা চিন্তা ভাবনা করে। " [অনুবাদক: মুজিবুর রহমান] [We sent them] with clear proofs and written ordinances.  And We revealed to you the message [i.e., the Quran] that you may make clear to the people what was sent down to them  and that they might give thought ." [Translator: Sahih International] তাহলে এই আয়াতটা গভীর ভাবে লক্ষ্য করুন? মহান আল্লাহ বলছেন:-" তাদের প্রেরণ করেছিলাম স্পষ্ট নিদর্শন- (بِٱلۡبَيِّنَٰتِ) ও গ্রন্থসহ- (وَٱلزُّبُرِۗ)  । এখানে " তাদের " সর্বনাম দ্বারা পূর্ববর্তী নবীগণকে বোঝানো হয়েছে যাঁদের কে মহান আল্লাহ স্পষ্ট নিদর্শন ও গ...

খ্রিস্টধর্মের অবস্থা ও সাধু পৌলের কর্মকাণ্ড এবং খ্রিস্টানদের পাপের লাইসেন্স

Image
  বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বিষয়: খ্রিস্টান বনাম মুসলিম সংলাপ হাইরে খ্রিস্টধর্মের অবস্থা: সাধু পৌলের কর্মকান্ড! মানবসভ্যতাকে ধ্বংস থেকে রক্ষা করতে পৌলের উদ্ভাবিত যীশুর নামে প্রচারিত এ ভ্রান্ত মতবাদের স্বরুপ উন্মোচন করা জরুরি। কারণ পৌল পাপাচারের যে দরজা উন্মুক্ত করেছেন তা মানবসভ্যতাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের সকল দেশের সকল ধর্মের ধার্মিক মানুষগুলো অন্তত মিথ্যা, নরহত্যা, ব্যভিচার, মাদকতা ও সকল প্রকার মহাপাপ থেকে নিজেদের কে মুক্ত রাখতে চেষ্টা করেন। পক্ষান্তরে পৌলের খ্রিস্টধর্মে এ সকল পাপাচারকে খোলামেলা উৎসাহ দেয়া হয়েছে। বাইবেলের মধ্যে বিদ্যমান আদম আঃ থেকে শুরু করে ঈসা আঃ পর্যন্ত সকল নবীগণ শিক্ষা দিয়েছেন যে: 16.  সন্তানের জন্য পিতার, কিম্বা পিতার জন্য সন্তানের প্রাণদণ্ড করা যাইবে না; প্রতিজন আপন আপন পাপপ্রযুক্তই প্রাণদণ্ড ভোগ করিবে। "   [দ্বিতীয় বিবরণ ২৪:১৬] অনলাইন সোর্স থেকে পড়তে ক্লিক করুন: https://bible.com/bible/1791/deu.24.16.ROVU এইখানে বলা হয়েছে, সন্তানের জন্য পিতা এবং পিতার জন্য সন্তান পাপের বোঝা বহন করবে না অর্থাৎ যার যার পাপের বোঝা তার তার-ই বহন কর...

আরবি دحا (daha),বা ধাতু دحو(dah-un) শব্দের অর্থ কী?

Image
 ☢️বিষয় : দাহা শব্দের অর্থ *************************** 🖋️:লেখক : Sami AL Hasan Tibab *************************** আরবি دحا (daha),বা ধাতু دحو(dah-un) শব্দের অর্থ :👇 🔷[১] যে স্থানে দাহা সংঘটিত হয় সেই স্থানের অর্থ হয় "এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে জীব-জন্তরা ডিম পারে কিংবা রাখে "___। 📕প্রমান :Kitab EL Ayn Martabaa ALa Hurof AL Mujam _______volume :2___page :12 🔷[২] যে স্থানে দাহা সংঘটিত হয় সেই স্থানের অর্থ হয় "এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে জীব-জন্তরা ডিম পারে কিংবা রাখে "___। 📕প্রমান :Mujam AL Waseet__ Page:274 🔷[৩] দাহা সংঘঠিত হওয়ার স্থানে তারা ডিমের অনুরুপ, জীব-জন্তুরা দাহা সংঘটিত হয়ার স্থানে ডিম পারে এটা তার রাখার স্থান /পালন করার স্থান, কেননা সে সেই স্থানটিকে প্রশস্ত করেছে (ডিম পাড়া বা রাখার জন্য) 📕প্রমান :Asas AL Balagah___ Page :127 🔷[৪] দাহা সংঘটিত হওয়ার স্থানের অর্থ হয় "নরম মাটির উপর জীব-জন্তর ডিম " ____ 📕প্রমান :AL Manjad Fi AL Lugoh __Page: 208 🔷[৫] আল্লাহ পৃথিবীকে "দাহা" করলেন অর্থাৎ "তিনি আমাদের জীবন-যাপন করার জন্য...

পবিত্র কোরআন কী বলে-চাঁদের আলো প্রতিফলিত আলো?

Image
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম বিষয়: পবিত্র কোরআনে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি সিরিজ। পবিত্র কোরআনে চাঁদের আলো সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? এটার কী নিজস্ব আলো আছে নাকি নেই? আসুন এ সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা যাক: প্রাচীন সভ্যতাগুলো বিশ্বাস করত যে, চাঁদ নিজেই নিজের আলো ছড়ায় কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান আজ আমাদের বলে যে, চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই বরং চাঁদের যে আলো তা হলো প্রতিফলিত আলো অর্থাৎ ( Reflection Light )। আর মহিমান্বিত ঐশীগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন ১৪০০+ বছর আগে থেকেই এই ধ্রুবক সত্য বৈজ্ঞানিক তথ্যটি আমাদের কে জানিয়ে দিয়েছে ২৫ নং সূরা আল ফুরকান (الفرقان), আয়াত: ৬১-তে মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেছেন:- تَبَارَكَ ٱلَّذِى جَعَلَ فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًا وَجَعَلَ فِيهَا سِرَٰجًا وَقَمَرًا مُّنِيرًا অর্থঃ   কত মহান তিনি, যিনি নভোমন্ডলে সৃষ্টি করেছেন তারকারাজি এবং তাতে স্থাপন করেছেন প্রদীপ ও জ্যোতির্ময় চাঁদ!"  [অনুবাদক: মুজিবুর রহমান] Blessed is He who has placed in the sky great stars and placed therein a [burning] lamp and luminous moon."  [Translator: Sahih International] [উল্লেখ্য  https://www.hadithbd.c...

পৃথিবীর গোলাকার আকৃতি এবং এর ঘূর্ণায়মান সম্পর্কে পবিত্র আল কোরআন!

Image
   ১] পৃথিবীর আকৃতি সম্পর্কে...! অনেকেই জিজ্ঞেস করে পবিত্র কোরআন মাজীদে পৃথিবীর আকৃতি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? এটা সমতল নাকি গোলাকারের ন্যায় বস্তু? তো তাদের উদ্দেশ্যে বলি, সর্বোত্তম রব মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ সুবাহানাহু ওয়াতা’আলা সরাসরি পবিত্র কোরআন মাজীদে পৃথিবীকে গোলাকার বলেননি। হতে পারে আমাদের পিতৃপুরুষদের বিশ্বাস তারা পৃথিবীকে সমতল ভাবত সেহেতু হঠাৎ করেই পৃথিবীকে গোলক বলে দিলে তারা শয়তানের ধোঁকায় পড়ে ইসলাম ত্যাগ করত। ফলে আমরাও এই সত্য ও শাশ্বত শান্তির ধর্মে জন্ম নেওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারতাম না। তাই মহাজ্ঞানী আল্লাহ্ তা'আলা এ বিষয়ে ইঙ্গিত দেওয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করেছেন। কেননা মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআন কে এমনভাবে নাযিল করেছেন যা সর্ব যুগের জন্য সঠিক ভাবে প্রযোজ্য এবং ব্যাখ্যাপূর্ণ। বর্তমান আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ। আর আমরা এমন যুগে এসে নিশ্চিত হয়েছি যে, পৃথিবীর আকৃতি সমতল নয় বরং গোলকের ন্যায়। আর পবিত্র কোরআন মাজীদেও পৃথিবী গোলাকার হওয়ার ইঙ্গিতপূর্ণ কথা নানাভাবে এসেছে। আসলে মহান রব পবিত্র কোরআনে অনেক বিষয়ে অসংখ্যবার ইঙ্গিতপূর্ণ এবং সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন, যা (ইঙ্...